চায়ের জনপদে শীতের বার্তা
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৮:০৮ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটে ভোরে ও রাতের শেষদিকে কার্তিকের মাঝামাঝিতেই অনুভূত হচ্ছে হালকা শীতের আমেজ। ফলে চায়ের নগরীতে নিয়ে এসেছে শীতের আগাম বার্তা। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে রোদের তেজে শহরে বেশ গরম অনুভূত হয়। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে গরমের তেজ কিছুটা কম।
বৃহস্পতিবার সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা আগের দুইদিনের চেয়ে কম। তবে সহসা শীত নামার কোনো লক্ষণ এখনও দৃশ্যমান নয় বলে জানিয়েছে সিলেট আবহাওয়া অফিস। তবে সাধারণত ডিসেম্বর থেকে তিনমাস শীতকাল ধরা হয়।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই সিলেটের আকাশে দেখা গেছে কুয়াশার হালকা চাদর, আর সেই সাথে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা মৃদু হিমেল হাওয়া সিলেটবাসীকে জানান দিচ্ছেÑ শীত আর বেশি দূরে নেই। বিশেষ করে শেষ রাতে এবং ভোরে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। গ্রামাঞ্চল ও চা বাগান এলাকাগুলোতে কুয়াশার তীব্রতা শহরের চেয়ে কিছুটা বেশি।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার পর এখন শুষ্ক ও শীতল পশ্চিমা বায়ু ধীরগতিতে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ফলে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি নাগাদ শীত অনুভূত হতে পারে।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মো. সজিব হোসাইন জানিয়েছেন সিলেটে শীতের আগমনের দৃশ্যমান কোনো বার্তা তারা এখনও পাননি। তিনি বলেন ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি শীতকাল ধরা হয়। সে হিসেবে শীতের আগমনের এখনও মাসখানেক বাকি।
এদিকে আবহাওয়া অফিস শীতের আগমন নিয়ে তেমন কিছু জানাতে না পরলেও শীতের আগমনী বার্তায় চা বাগানগুলো পেয়েছে এক নতুন রূপ। সকালে কুয়াশাভেজা সবুজ পাতার ওপর সূর্যের আলো এক মনোরম দৃশ্যের অবতারণা করছে।
শীতের আগাম আগমনকে কেন্দ্র করে গরম কাপড়ের দোকানীরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। প্রকৃতির এই রূপবদল যেমন উপভোগ্য, তেমনি ঋতু পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে শিশু ও বয়স্কদের ঠান্ডা-কাশি ও অ্যালার্জিজনিত সমস্যা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকেরা। সব মিলিয়ে, মৃদু কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ার হাত ধরে সিলেটে শুরু হয়ে গেছে শীতের আবাহন।





