কমতে পারে ডায়ালাইসিস-হার্টের রিংয়ের খরচ
প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ মে ২০২৬, ৮:১১:২৮ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : কিডনি ও হৃদরোগীদের জন্য সুখবর আসছে| আগামী বাজেটে কিডনি ডায়ালাইসিসের সরঞ্জাম এবং করোনারি স্টেন্টের (হার্টের রিং) ওপর থেকে কিছু কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার| এর ফলে চিকিৎসার ব্যয় কিছুটা কমতে পারে| কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ডায়ালাইসিস সরঞ্জামের ওপর থাকা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার|
জাতীয় রাজ¯^ বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ¯^াস্থ্যসেবার ব্যয় ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এবং সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় খরচ কমিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে| বর্তমানে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিনের ওপর ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম করসহ মোট ২২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপিত রয়েছে| এ ছাড়া হার্টের রিং বা স্টেন্টের ওপর সরবরাহ পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতির পরিকল্পনা করছে সরকার| এই পদক্ষেপ হৃদরোগের চিকিৎসার খরচ হ্রাস করবে বলে মনে করা হচ্ছে| কাস্টমসের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসে¤^র থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রায় ২৫২ কোটি টাকার হৃদরোগ ও কিডনি চিকিৎসার সরঞ্জাম আমদানি করেছে|
সরকারের এই উদ্যোগকে ¯^াগত জানিয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের (এনআইসিভিডি) পরিচালক অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, এর ফলে স্টেন্টের দাম কিছুটা কমবে, যা সরাসরি রোগীদের উপকারে আসবে| তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে স্টেন্টের দাম একই থাকলেও হাসপাতাল ভেদে সার্ভিস চার্জ বা সেবা মূল্যের পার্থক্য রয়েছে| তিনি আরও বলেন, স্টেন্টের দাম সাধারণত ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে| সরকারি হাসপাতালে আনুষঙ্গিক সেবা খরচ ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা হলেও বেসরকারি হাসপাতালে এই খরচ প্রায় এক লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে| অধ্যাপক ওয়াদুদ জানান, দেশে প্রতি বছর ৩৫ হাজারেরও বেশি রোগীর হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বা রিং বসানো হয়|
বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব ফরহাদ হাসান চৌধুরী বলেন, কিডনি রোগের চিকিৎসা—বিশেষ করে ডায়ালাইসিস অত্যন্ত ব্যয়বহুল| ডায়ালাইসিস মেশিনের ওপর থেকে অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হলে ডায়ালাইসিস খরচ কিছুটা কমতে পারে|






