ঊর্ধ্বমুখী শুকনা মরিচ ও হলুদের দাম
প্রকাশিত হয়েছে : ২১ মে ২০২৬, ৮:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : কোরবানির মাংস রান্নায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মসলাপণ্যের মধ্যে রয়েছে শুকনা গুঁড়া মরিচ, হলুদসহ বেশ কয়েকটি পচনশীল মসলাপণ্য| দেশে উৎপাদন আশানুরূপ না হওয়ায় এক-তৃতীয়াংশ আমদানিনির্ভর পণ্য দুটির দাম বেশ কয়েক মাস ধরেই ঊর্ধ্বমুখী| কোরবানিকে সামনে রেখে আরো অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে শুকনা মরিচ ও হলুদের বাজার|
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানায়, বর্তমানে দেশী শুকনা মরিচ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৬০-৪০০ টাকায়| আমদানি হওয়া ভারতীয় শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪৪০-৪৬০ টাকায়| ২০২৫ সালের একই সময় দেশী শুকনা মরিচের কেজিপ্রতি খুচরা দাম ছিল ২৫০-৩৩০ টাকা ও আমদানীকৃত শুকনা মরিচের দাম ছিল কেজিপ্রতি ২৮০-৪৩০ টাকা| অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৭০-১১০ টাকা এবং আমদানীকৃত মরিচের কেজিপ্রতি ৩০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা|
একইভাবে দেশীয় আস্ত হলুদের দামও খুচরা বাজারে বেড়েছে| বিশেষ করে দেশীয় হলুদ খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০-৩৫০ টাকায়| যদিও আগের বছরের একই সময় আস্ত হলুদ বিক্রি হয়েছিল ২৫০-৩০০ টাকায়| আমদানীকৃত আস্ত হলুদও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বেড়ে লেনদেন হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০-৪০০ টাকা দরে| এদিকে পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেজিপ্রতি শুকনা মরিচের দাম এক-দুই মাস আগেও বিক্রি হয়েছিল সর্বনিম্ন ১০০-১৫০ টাকার মধ্যে|
নগরীর কালীঘাটের পাইকারী ব্যবসায়ী হেলন মিয়া বলেন, দেশীয় চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ হলুদ ও মরিচ ভারত থেকে আমদানি হয়| ভারতীয় আস্ত হলুদ ও মরিচের আকার ও দেখতে চকচকে হওয়ায় দেশীয় বাজারে চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি থাকে| সরবরাহ¯^ল্পতায় ভারতীয় মসলাপণ্য দুটির দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশী মরিচ ও হলুদের বাজার কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অ¯^াভাবিক বাড়তির দিকে বলে জানান এই ব্যবসায়ী|





