মালয়েশিয়াজুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ জুলাই ২০২৬, ৯:৪১:০১ অপরাহ্ন

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি: মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) নজরদারি ও আইন প্রয়োগকারী অভিযান আরও কার্যকর করতে দেশের প্রতিটি রাজ্যে পৃথক ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা নিয়েছে।
শুক্রবার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রতিটি রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট শাখায় প্রশিক্ষিত ড্রোন অপারেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে ২০২১ সালে ছোট আকারের কয়েকটি ড্রোন সংগ্রহের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন বিভাগে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আইন প্রয়োগকারী অভিযানের চাহিদা বাড়ায় আরও উন্নত ড্রোন ও সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়।
জাকারিয়া শাবান বলেন, বর্তমানে দেশের সব ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট শাখা বিভিন্ন অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করছে। আকাশপথে নজরদারি, কর্মকর্তাদের ঝুঁকি কমানো এবং পালিয়ে যাওয়া বা আত্মগোপনে থাকা সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি আরও জানান, অভিযানের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী প্রায় সব ধরনের ইমিগ্রেশন অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পেনাং রাজ্যের বান্দার তাসেক মুতিয়ারা এলাকার একটি নির্মাণ সাইটে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। অভিযানে পেনাং রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি কেদাহ রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন), শ্রম বিভাগ (জেটিকে) এবং সেবেরাং পেরাই সিটি কাউন্সিল (এমবিএসপি) অংশ নেয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্মাণ সাইটে কর্মরত বিদেশি নাগরিক ও নিয়োগকর্তাদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই এবং ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, ইমিগ্রেশন রুলস ১৯৬৩সহ সংশ্লিষ্ট আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করা। তবে এ অভিযানে কতজন অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে, তা জানানো হয়নি।
পেনাং ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়োগকর্তাদের আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানানো হয়েছে।






