সিউকের সঙ্গে সারেগের অংশীজন সভা
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৬:১৬ অপরাহ্ন

সিলেটের পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ন এবং আবাসন খাতের উন্নয়ন নিয়ে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) সঙ্গে সিলেট অ্যাপার্টমেন্ট অ্যান্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপের (সারেগ) অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
সভায় সারেগের সভাপতি মাওলানা খায়রুল হোসেন, দ্বিতীয় সহ-সভাপতি হাসিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসাইন, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারের কোষাধ্যক্ষ মো. জহির হোসেন, সারেগের সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ আশিকুর রহমান, অর্থ সম্পাদক তাজুল ইসলাম হাসান, কার্যকরী কমিটির সদস্য নেহাল আহমদ, শাহজাহান কবির ডালিম, আবুল কাহের শাহিন এবং সদস্য কবির আহমদ, শিব্বির আহমদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সারেগের সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসাইন সিলেটে পরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন খাতের উন্নয়নে রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সিলেটের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, নগরায়ন ও আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আধুনিক নগর গড়ে তুলতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে বেসরকারি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানগুলো পরিকল্পিত আবাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নগর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, নকশা অনুমোদন, ডেভেলপার নিবন্ধন, প্রশাসনিক জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা ও নীতিগত অস্পষ্টতার কারণে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। সিউক ও রিয়েল এস্টেট খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হলে সিলেটে দ্রুত, পরিকল্পিত ও টেকসই নগর উন্নয়ন সম্ভব হবে। সভায় সারেগের পক্ষ থেকে ডেভেলপার নিবন্ধন ও নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ, নির্ধারিত সময়ে নকশা অনুমোদন, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু, সম্পূর্ণ অনলাইন আবেদন ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপের সময়সীমা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।
এছাড়া বিল্ডিং কোড ও নীতিমালার সহজ নির্দেশিকা প্রকাশ, নতুন নীতিমালা প্রণয়নের আগে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ, নিয়মিত সমন্বয় সভা আয়োজন এবং আইন ও নীতিমালা মেনে চলা নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোর জন্য দ্রুত সেবা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সারেগের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সিলেটের ভূমি, সড়কের প্রস্থ, জলাবদ্ধতা, ভূমিকম্পঝুঁকি, প্রবাসী বিনিয়োগ ও ভবিষ্যৎ নগর সম্প্রসারণের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়নবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
সভায় সারেগের নেতৃবৃন্দ বলেন, রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো সিউকের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং পরিকল্পিত ও আধুনিক সিলেট নগরী গঠনে তারা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আইন ও নীতিমালার মধ্যে থেকে একটি স্বচ্ছ, দ্রুত, বিনিয়োগবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী পরিবেশ তৈরিতে তারা সিউকের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। বিজ্ঞপ্তি






