নিয়োগ পেয়েও প্রাথমিকে যোগ দেননি ৯১৮ জন
প্রকাশিত হয়েছে : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন
জালালাবাদ ডেস্ক: সরকারি বা বেসরকারি খাতÑকোথাও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। এমন সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পেয়েও ৯১৮ প্রার্থী চাকরিতে যোগ দেননি। সরকারি চাকরির তীব্র প্রতিযোগিতা, সুযোগ-সুবিধা ও চাকরির নিরাপত্তার কারণে যেখানে সরকারি চাকরিকে দীর্ঘদিন ধরে ‘সোনার হরিণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেখানে নিয়োগপত্র পেয়েও এত বিপুল প্রার্থীর যোগ না দেওয়ার বিষয়টি বিস্ময় তৈরি করেছে। সহকারী শিক্ষক পদটি সরকারি বেতনকাঠামোর ১৩তম ধাপের (গ্রেড)।
২০২৬ সালের নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, এ পদে শুরুতে ভাতাসহ মোট বেতন হবে সর্বনিম্ন প্রায় ৩৬ হাজার টাকা। ফলে বেতনের দিক দিয়ে চাকরিটি আগের চেয়ে আকর্ষণীয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করছেন, যোগ না দেওয়া প্রার্থীদের অনেকেই হয়তো অন্য কোনো চাকরি করছেন বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত আছেন। সে কারণেই নিয়োগপত্র পেয়েও তাঁরা এ চাকরিতে যোগ দেননি। তবে যোগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
এ অবস্থায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে নিয়োগপত্র পেয়েও ৯১৮ জন প্রার্থীর চাকরিতে যোগ না দেওয়া প্রাথমিক শিক্ষার শিক্ষকসংকটে নতুন মাত্রা যোগ করছে। একই সঙ্গে চাকরির বাজারে মন্দার সময়ে যেখানে একটি চাকরির জন্য হাহাকার, সেখানে সরকারি চাকরি পেয়েও এত প্রার্থীর যোগ না দেওয়ার কারণও প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম মনে করেন, নয় শতাধিক প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে যোগ না দেওয়ায় অধিদপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে চাকরিতে যোগ দেওয়া না-দেওয়া সবার ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। ধারণা করা যায়, এসব প্রার্থী হয়তো এর চেয়ে ভালো চাকরি পেয়েছেন।





