জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়

এলপিজি’র চোখ এখন শিল্পে


প্রকাশিত হয়েছে : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭:১০ অপরাহ্ন

জালালাবাদ রিপোর্ট: প্রাকৃতিক গ্যাস সংকটে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বেশ কয়েকদফায় দাম বেড়েছে ঘরে ব্যবহৃত এই গ্যাস সিলিন্ডারের। তারপরও আসেনি স্থিতিরতা। সরকারের কোনো কথাই শুনছেনা ব্যবসায়ীরা। ভোক্তার আর্তনাদ এখন যেন অরণ্যেরোদন। চরম এই অস্থিরতার মধ্যে নতুন করে শোনা যাচ্ছে আরেক দুঃসংবাদ।
এক সময় গৃহস্থালির রান্নার কাজে ব্যবহৃত হলেও এখন শিল্পকারখানা, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনেও বাড়ছে এ জ্বালানির নির্ভরতা। পাইপলাইনের গ্যাসের সংযোগ না পাওয়া এবং বিদ্যমান সংযোগে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না মেলায় বিকল্প হিসেবে এলপিজির দিকে ঝুঁকছেন ভোক্তা ও উদ্যোক্তারা। বর্তমানে দেশে বছরে এলপিজির চাহিদা প্রায় ১৭ থেকে ১৮ লাখ মেট্রিক টন। প্রতিবছর গড়ে ১০ শতাংশ হারে চাহিদা বাড়ছে। খাতসংশ্লিষ্টদের পূর্বাভাস, ২০৩৫ সাল নাগাদ এ চাহিদা ৪০ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাতে পারে।
চাহিদা বাড়লেও এলপিজির আমদানি, সংরক্ষণ ও সরবরাহব্যবস্থায় সরকারের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সীমিত। জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বাজারে সরকারি খাতের অংশ মাত্র ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বাকি ৯৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেসরকারি খাতনির্ভর। ফলে আমদানি থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহÑ পুরো ব্যবস্থাই মূলত বেসরকারি অপারেটরদের ওপর নির্ভরশীল। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, আমদানিতে বিঘ্ন কিংবা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে দেশের বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি দীর্ঘায়িত হওয়ায় এলপিজি এখন আর শুধু রান্নার বিকল্প জ্বালানি নয়, শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল রাখার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব বাড়ছে। কিন্তু চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমদানি, মজুদ ও সরবরাহের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বাজার স্থিতিশীল রাখার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে। এলপিজির বাজারে সরকারের অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিলেও সেগুলো অত্যন্ত ধীরগতির।
প্রায় এক দশক ধরে বিপিসি বৈঠক আর গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিক পর্যায় পড়ে আছে। চাহিদা প্রতিবছরে প্রায় ১০ শতাংশ হারে বাড়লেও সেই অনুপাতে আমদানি ও সরবরাহের সক্ষমতা বাড়ানো, মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সংকট মোকাবিলায় সরকারের নিজস্ব কার্যকর ব্যবস্থা কতটা গড়ে উঠেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাজারে দাম বাড়লে বা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে সভা-সমাবেশ, কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশনার বাইরে সরকারের কার্যকর বিকল্প কতটুকু রয়েছে, সেটিও এক প্রশ্ন। প্রায় দুই দশক ধরে দেশে এলপিজির বাণিজ্যিক ব্যবহার ও বেসরকারি বিনিয়োগ সম্প্রসারিত হলেও আমদানি, কৌশলগত মজুদ এবং বাজারে জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের নিজস্ব সক্ষমতা কেন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে এলপিজির চাহিদা ছিল খুব কম। ফলে এলপিজি নিয়ে সরকারের খুব একটা ভাবনার বিষয় ছিল না। তবে এখন দ্রুত এলপিজির বাজার বড় হওয়ায় সরকার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এলপিজির বাজারে বেসরকারি উদ্যোক্তরা তাদের ইচ্ছেমতো চালাতে না পারে। সরকার তাদের সমাগ্রিক সহযোগিতা করবে, বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে।
দেশে এলপিজির বর্তমান বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৭ থেকে ১৮ লাখ মেট্রিক টন বলে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জ্বালানি বিভাগে একটি উপস্থাপনায় দেখিয়েছেন। বছরে গড়ে ১০ শতাংশ চাহিদা বৃদ্ধির হিসাব ধরে আগামী বছরগুলোয় এই বাজার আরও বড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসাবে ২০৩৫ সালের মধ্যে বার্ষিক চাহিদা ৪০ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে।
চাহিদার কারণ: এলপিজির চাহিদা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড়ো কারণ প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি। দেশে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, বিদ্যমান শিল্পে উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পাইপলাইনের গ্যাসের পর্যাপ্ততা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। গৃহস্থালি পর্যায়েও পাইপলাইনের গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।
জ্বালানি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, এলপিজির মোট ব্যবহারের প্রায় ৮০ শতাংশ গৃহস্থালি, ১২ শতাংশ বাণিজ্যিক, ৫ শতাংশ যানবাহনে এবং বাকি ৩ শতাংশ অন্যান্য খাতে ব্যবহার হচ্ছে। অর্থাৎ এখনও গৃহস্থালি খাতই এলপিজির প্রধান বাজার। তবে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে ব্যবহার বাড়লে ভবিষ্যতে চাহিদার ধরনেও পরিবর্তন আসবে।
জ্বালানি বিভাগের তথ্য বলছে, দেশের এলপিজি বাজারে সরকারি খাতের অংশ মাত্র ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং বেসরকারি খাতের অংশ প্রায় ৯৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ফলে আমদানি থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও পরিবেশক-ডিলারের মাধ্যমে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রায় পুরো ব্যবস্থাই বেসরকারি অপারেটরদের ওপর নির্ভরশীল।
সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে কোম্পানিগুলোকে আমদানি বাড়ানো, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং গৃহস্থালি পর্যায়ে এলপিজির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চলতি অক্টোবরের ৩ তারিখে একটি সভায় বিদ্যমান সরবরাহ ও মেয়াদি চুক্তি অনুযায়ী আমদানি অব্যাহত রাখা এবং সক্ষম অপারেটরদের প্রয়োজনে অতিরিক্ত আমদানির উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে বিইআরসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এলপিজি আমদানি ও বাজারজাতকরণে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি কী, কোন কোম্পানি কতটুকু আমদানি করেছে, কতটুকু বাজারে সরবরাহ করেছে এবং ঘাটতি থাকলে তার কারণ কীÑ এসব তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও মনিটর করতে বলা হয়েছে।
এলপিজির দাম নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগও বাড়ছে। জ্বালানি বিভাগের এক বৈঠকে ১২ কেজির সিলিন্ডারের বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত খুচরা দাম এক হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও কোথাও কোথাও বিক্রয়মূল্য এক হাজার ৮৫০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ নির্ধারিত দামের তুলনায় প্রতি সিলিন্ডারে ১৩ থেকে ২৬৩ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়ার চিত্র রয়েছে সরকারি হিসাবে। তবে এলাকাভেদে সেটা ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকটের কারণে এলপিজি এখন আর কেবল রান্নার বিকল্প জ্বালানি নয়; এটি ক্রমেই গৃহস্থালি, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে বার্ষিক চাহিদা ৪০ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস বাস্তব হলে আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়বে। এ অবস্থায় শুধু সংকট দেখা দেওয়ার পর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে দীর্ঘমেয়াদে সমস্যার সমাধান হবে না। প্রয়োজন একটি সমন্বিত এলপিজি নীতিমালা, বাস্তবভিত্তিক চাহিদা পূর্বাভাস, কোম্পানিভিত্তিক আমদানি ও সরবরাহের স্বচ্ছ হিসাব, পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সক্ষমতা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার পরিকল্পনা।

জাতীয় এর আরও খবর
শুল্ক কমিয়েও কমেনি পণ্যের দাম পুরো সুবিধা আমদানীকারকদের পকেটে 

শুল্ক কমিয়েও কমেনি পণ্যের দাম পুরো সুবিধা আমদানীকারকদের পকেটে 

প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার বেড়ে ১৬.২৫%

প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার বেড়ে ১৬.২৫%

শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম

শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম

হাসিনার আড়ালে থাকার নেপথ্যে!

হাসিনার আড়ালে থাকার নেপথ্যে!

সর্বশেষ সংবাদ
নভেম্বরের শুরুতেই শীত
নভেম্বরের শুরুতেই শীত
আতঙ্কের নাম ‘হাম’ : সিলেটে মৃত্যু ২০০
আতঙ্কের নাম ‘হাম’ : সিলেটে মৃত্যু ২০০
শুল্ক কমিয়েও কমেনি পণ্যের দাম পুরো সুবিধা আমদানীকারকদের পকেটে 
শুল্ক কমিয়েও কমেনি পণ্যের দাম পুরো সুবিধা আমদানীকারকদের পকেটে 
প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার বেড়ে ১৬.২৫%
প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার বেড়ে ১৬.২৫%
বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের কোন এলাকা উন্নয়ন বঞ্চিত থাকবে না : এমপি লুনা
বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের কোন এলাকা উন্নয়ন বঞ্চিত থাকবে না : এমপি লুনা
শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম
শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম
দক্ষিণ সুরমায় ‘স্ট্রাইক হাউজ ইনডোর ফুটবল মাঠ’ উদ্বোধন
দক্ষিণ সুরমায় ‘স্ট্রাইক হাউজ ইনডোর ফুটবল মাঠ’ উদ্বোধন
হাসিনার আড়ালে থাকার নেপথ্যে!
হাসিনার আড়ালে থাকার নেপথ্যে!
১৭ বছর আগে লন্ডন, এবার জাপান থেকে প্রত্যাহার দাউদ আলী
১৭ বছর আগে লন্ডন, এবার জাপান থেকে প্রত্যাহার দাউদ আলী
হঠাৎ সামরিক সতর্কতা জারি বাংলাদেশে!
হঠাৎ সামরিক সতর্কতা জারি বাংলাদেশে!
হাম ও ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু
হাম ও ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু
রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে স্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ
রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে স্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ
সীমান্তে মুখোমুখি ভারত-চীন
সীমান্তে মুখোমুখি ভারত-চীন
২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক বাংলাদেশ
২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক বাংলাদেশ
এনসিপির পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিলেটের ৬ নেতা
এনসিপির পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিলেটের ৬ নেতা
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top