সিলেটে ১৮ বছরের সর্বনিম্ন ফল
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫৭:০০ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার (এসএসসি) ফলাফলে ধস নেমেছে। গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষার্থীরা বেশি ফেল করায় গড় ফলাফলে এই বিপর্যয় ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বোর্ড সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, সিলেট বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যা গত ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। পাসের হারে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সিলেট বোর্ডের অবস্থান সপ্তম। ২০০৮ সালের পর এবারই প্রথম সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী পাস করেছে সিলেট বোর্ডে।
এবার সিলেট বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ফেল করেছে ইংরেজিতে। এই বিষয়ে পাসের হার ৬৯.১১ শতাংশ। সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা ময়মনসিংহ বোর্ডের ইংরেজিতে পাসের হার ৬৬. ৬৪ শতাংশ। তার ঠিক উপরেই অবস্থান সিলেট বোর্ডের। অর্থাৎ সিলেটের অবস্থান পেছনের দিক থেকে দ্বিতীয়। এছাড়া সিলেট বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭৫.৯৬ শতাংশ। যা অন্য কয়েকটি বোর্ডের চেয়ে পিছিয়ে। ফলাফল বিপর্যয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার হার।
গতকাল সোমবার সকালে এই ফলাফল ঘোষণা করেন সিলেট বোর্ড সচিব চৌধুরী মামুন আকবর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বিলকিস ইয়াসমিন। একই সময়ে দেশের অন্য সবক’টি বোর্ডের ফল প্রকাশ করা হয়।
বিগত বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ৫ বছর ধরেই সিলেট শিক্ষা বোডের্র এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের সূচকের ধারা নিম্নমুখী। মূলত করোনা মহামারীর পর ২০২২ সাল থেকেই কমতে শুরু করে পাসের শতকরা হার। ২০২২ সালে এসএসসিতে সিলেটে পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। জিপিএ-৫ ছিল ৭ হাজার ৫৬৫টি। পরের বছর ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭৬ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পাঁচ হাজার ৪৫২টি। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পাঁচ হাজার ৪৭১ জন।
২০২৫ সালে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৬১৪ জন। বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১০ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ বেড়েছে ২২২টি। এছাড়া ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সবাইকে পাস করিয়ে দেওয়া হয়। যেটিকে ‘অটোপাস’ বলা হয়ে থাকে। ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বিগত বছরের এসএসসির ফল বিবেচনা নেওয়া হয়। আর ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার কিছু নম্বর যোগ করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলে পাসের হার স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ছিল।
সিলেট বোর্ড জানায়, এবার এসএসসি পরীক্ষায় ৮৯ হাজার ৬৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৯ হাজার ৭৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৫১ হাজার ৯৫৭ জন। গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। পাসের হারের দিক থেকে এগিয়ে মেয়েরা। গড়ে ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ। তার পরেই অবস্থান করা দিনাজপুর বোর্ডের পাস হার ৫৮.০৫ শতাংশ। তার ঠিক উপরেই অবস্থান সিলেটের। অর্থাৎ সিলেটের অবস্থান পেছনের দিক থেকে তৃতীয়। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, সিলেটে এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩ হাজার ৬০৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তন্মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৬৮৪ এবং মেয়ে ১ হাজার ৯২৪ জন। মানবিক থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ ১২০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছেলে ২৪ এবং মেয়ে ৯৬ জন। ব্যবসায় শিক্ষায় ১০৮ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ছেলে ৩৭ এবং মেয়ে ৭১ জন।
বোর্ডে ছেলেদের ৩৫ হাজার ৬০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ হাজার ৪৩৮ জন অংশ নিয়ে পাস করে ১৯ হাজার ৮৮৯ জন এবং ফেল করেছে ১৫ হাজার ৫৪৯ জন। ছেলেদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ১২ শতাংশ আর ফেল করার হার ৪৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মেয়েদের ৫৪ হাজার ৭৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩ হাজার ৬৪১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩২ হাজার ৬৮ জন। আর ফেল করেছে ২১ হাজার ৫৭৩ জন। মেয়েদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ফেল করার হার ৪০ দশমিক ২২ শতাংশ।
বোর্ডের তথ্যমতে, এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২৫ হাজার ১৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৫ হাজার ৯৮ জন অংশ নিয়ে পাস করে ২০ হাজার ১৫৯ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৪৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ হাজার ৪৬৭ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ৭ হাজার ৬৯৮ জন। পাসের হার ৮১ দশমিক ৩১ শতাংশ। ফেল করেছে এক হাজার ৭৬৯ জন। ফেল করার হার ১৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বিজ্ঞান বিভাগে মেয়ে পরীক্ষার্থী ১৫ হাজার ৬৯৬ জনের মধ্যে ১৫ হাজার ৬৩১ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ১২ হাজার ৪৬১ জন। পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।
মানবিক বিভাগে ৫৮ হাজার ২৪৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৭ হাজার ৭৬০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ২৭ হাজার ৮১৫ জন। আর ফেল করেছে সর্বাধিক ২৯ হাজার ৯৪৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলেরা ২৩ হাজার ৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ হাজার ৯৩৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১০ হাজার ৩০২ জন এবং ফেল করেছে ১২ হাজার ৬৩১ জন। ছেলেদের পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ এবং ফেল করার হার ৫৫ দশমিক ৮ শতাংশ।
এই বিভাগে মেয়ে ৩৫ হাজার ১৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৪ হাজার ৮২৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৭ হাজার ৫১৩ জন। আর ফেল করেছে ১৭ হাজার ৩৩৪ জন। এই বিভাগে মেয়েদের পাসের হার ৫০ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ফেল করার হার ৪৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। মানবিকে পাসের থেকে ফেল করার হার বেশি। গড় পাসের হার ৪৮ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং গড় ফেল করার হার ৫১ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
ব্যবসায় শিক্ষায় ৬ হাজার ২৫২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬ হাজার ২২১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩ হাজার ৯৮৩ জন। আর ফেল করেছে ২ হাজার ২৩৮ জন। এই বিভাগে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৩ এবং ফেল করার হার ৩৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এই বিভাগে ছেলেদের ৩ হাজার ৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ১ হাজার ৮৮৯ জন এবং ফেল করেছে ১ হাজার ১৪৯ জন। ছেলেদের গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ১৮ এবং ফেল করার হার ৩৭ দশমিক ৮২ শতাংশ।
ব্যবসা শিক্ষায় মেয়েদের ৩ হাজার ২০৪ পরীক্ষার্থীর ৩ হাজার ১৮৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ৯৪ জন এবং ফেল করেছে ১ হাজার ৮৯ জন। এই বিভাগে মেয়েদের গড় পাসের হার ৬৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং ফেল করার হার ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ।
বোর্ডের অধীনে চার জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে আছে সিলেট। এই জেলায় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং পিছিয়ে হবিগঞ্জ ৫৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। এছাড়া মৌলভীবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৭১ এবং ৫৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
এর মধ্যে সিলেটে ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষা দিয়ে ২২ হাজার ১৬০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ২৩ জন। মৌলভীবাজারে ১৯ হাজার ৮৫৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ১১ হাজার ১০৩ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭২৫ জন, সুনামগঞ্জে ১৮ হাজার ২৮৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৯ হাজার ৯৯৯ জন এবং হবিগঞ্জে ১৫ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষা নিয়ে পাস করেছে ৮ হাজার ৬৯৫ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭৫ জন।
তথ্য মতে, বোর্ডে এবার শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২টি। গত বছর শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠান ছিল ৭টি। এবার তা বেড়ে হয়েছে ৯টি। তবে শতভাগ ফেল কোনো প্রতিষ্ঠান নেই।
এবার ফলাফল খারাপ হওয়ার পেছনে ইংরেজি ও গণেিত ফেল করাকে দেখছেন সিলেট বোর্ড কর্মকর্তারা। এছাড়া এই দু’টি বিষয়ে দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে। দক্ষ শিক্ষক এবং শিক্ষকদের অপর্যাপ্ততা কাটিয়ে ওঠা গেলে ফলাফল ভালো করা সম্ভব বলে মনে করছেন বোর্ড সচিব ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
পাসের হার কমে যাওয়ার বিষয়ে সিলেট শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন বলেন, এবছরের পরীক্ষার্থীদের দুই বছরে দুই সিলেবাসে পড়তে হয়েছে। যে কারণে পাসের হারে একটা প্রভাব পড়েছে। এছাড়া প্রতি বছরের মতো এবারও গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে ফেল করায় গড় ফলাফল খারাপ হয়েছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরও বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষা অনেকটা কড়াকড়িভাবে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো ছিল।
তথ্যানুযায়ী, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার ৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছে। তাদের বেশিরভাগই ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ও ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এছাড়া বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। এতসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল বিপর্যয়ের পেছনে তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছেন দেশের বর্তমান সৃজনশীল কারিকুলাম প্রণেতাদের অন্যতম অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) সাবেক এই পরিচালক বলেন, এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো যুক্তিতেই এতসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল গ্রহণযোগ্য নয়। যদি কেউ ফেল করে, তাহলে ওই শিক্ষার্থীর চেয়েও শিক্ষকরা বেশি দায়ী।
অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে কিংবা খাতা কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে- যেটিই বলা হোক না কেন, কোনোভাবেই এতসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণিতে দুই বছর একই বই পড়ে। দশম শ্রেণি শেষে বিদ্যালয়ের নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করার পর সে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ পায়। এরপর আরও প্রায় তিন মাস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। এত কিছুর পর বোর্ড পরীক্ষায় এক-দুই বা তার বেশি সাবজেক্টে (বিষয়) ফেল করলো ? কেন ফেল করলো, কীভাবে এটা সম্ভব?
বিদ্যালয় পর্যায়ে ক্লাসে শেখানোর ক্ষেত্রে শিক্ষকদের দুর্বলতা ও অবহেলা রয়েছে জানিয়ে ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, কারিকুলামে যেভাবে শেখানোর কথা, সেভাবে শেখালে কেউ ফেল করার কথা নয়। প্রথমত এনসিটিবি কারিকুলামটা নামমাত্র মানে, দ্বিতীয়ত- শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। তারা মানসম্মত উপায়ে ক্লাসে পড়াতে পারেন না।






