জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. সম্পাদকীয়

মমতাকে অভিনন্দন, শুভেচ্ছা পশ্চিম বঙ্গের জনগণকে


প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ মে ২০২১, ৯:০৮:২৩ অপরাহ্ন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তৃতীয় বারের মতো মূখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। নির্বাচনে উপর্যুপরি জয়লাভ এবং এবার বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ায় রাজ্যজুড়ে তার জনপ্রিয়তার বিষয়টি এখন পরিষ্কার। তবে তার বিজয় মুকুটে আরেকটি পালক হিসেবে যুক্ত হয়েছে প্রতিবেশি বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসা।

নির্বাচনের শুরু থেকেই বাংলাদেশের ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল স্তরের মানুষকে মমতার বিজয়ের জন্য শুভ কামনা ও প্রার্থনা করতে দেখা গেছে। আর বিজয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের মতো বাংলাদেশের জনগণের মাঝেও আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। বলা বাহুল্য ভারতের সাথে বাংলাদেশসহ তার প্রতিবেশি দেশগুলোর বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সম্পর্ক মোটেই ভালো নয়। সত্যি বলতে কি বাংলাদেশের সরকারের সাথে স্বার্থের কারণে ভারত সরকারের দহরম মহরম থাকলেও এদেশের ৯৫ ভাগ মানুষ ভারতের ক্ষমতাসীন বর্ণবাদী বিজেপি সরকারকে ঘৃণা করে। আর এই ঘৃণার পেছনে অনেক যৌক্তিক কারণ বিদ্যমান।

মুসলমান পবিত্র মসজিদ বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার সাম্প্রদায়িক তৎপরতার মাধ্যমেই ভারতে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি’র উত্থান। সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বিভক্তি ও ঘৃণা সৃষ্টির রাজনীতির মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে এই দল। ভারতের বৃহত্তর উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনগোষ্ঠী তাদের সমর্থন করলেও সচেতন, বিবেকবান, গণতন্ত্রকামী ও শান্তিপ্রিয় ভারতীয়রা বিজেপি’র এই আদর্শ ও কর্মকা-কে কখনো সমর্থন করেননি। পশ্চিম বঙ্গের জনগণও কখনোই বিজেপি’র সাম্প্রদায়িক আদর্শকে স্বাগত জানাননি, সমর্থন করেননি। আর এটা প্রমানিত হয়েছে এবারের নির্বাচনে। পশ্চিম বঙ্গের নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদী বিজেপি’র। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২১৩ আসন নিয়ে বিজয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

পশ্চিম বঙ্গের নির্বাচন ঘিরে এবার বাংলাদেশের জনগণের মাঝে যে আগ্রহ ও উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে, অতীতে কখনো তা লক্ষ্য করা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক এর প্রমাণ। পশ্চিম বঙ্গের নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মন্তব্য ও বক্তব্যে রীতিমতো সয়লাব ছিলো ফেইসবুক। মমতার বিজয়ে বাংলাদেশের মানুষের মাঝে যে উৎসাহ উদ্দীপনা ও উল্লাস লক্ষ্য করা গেছে তা দেখে মনে হয়েছে এটা যেনো এদেশের কোন নির্বাচন। প্রশ্ন জাগতে পারে, এর কাণে কী? হ্যাঁ, কারণ তো অবশ্যই আছে। বাংলাদেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার হোতা ও মুসলিম নির্যাতনকারী বিজেপি’র ওপর সংগত কারণেই ক্ষুব্ধ। সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে ক্ষমতার আসার পর মোদির বিজেপি সরকার ভারতের মুসলমানদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয়ার এজেন্ডা গ্রহণ করে। ক্ষমতাসীন বিজেপি ভারতীয় মুসলমানদের ওপর শুরু করে অমানুষিক নির্যাতন।

গরু জবাই, গরু বিক্রির অভিযোগ তুলে বহু নিরীহ মুসলমানকে তারা পিটিয়ে হত্যা করে। অনেককে গোবর খেতে বাধ্য করে। মুসলিম নির্যাতন প্রকাশ্যে সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। আসামের লাখ লাখ মুসলমানকে দেশ থেকে বিতাড়নের জন্য রাষ্ট্রীয় কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। এসব কর্মকা- বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের গভীর মর্মবেদনার কারণ হয়ে আছে দীর্ঘদিন যাবৎ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের জনগণ প্রতিবেশি লাগোয়া রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি’র পরাজয় কামনা করে। অপরদিকে তুলনামূলকভাবে অসাম্প্রদায়িক মুসলিম জনগোষ্ঠীর প্রতি সহানুভূতিশীল মমতা বন্দোপাধ্যায় ও তার দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন দেখায় এদেশের জনগোষ্ঠী। যদিও তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা না পাওয়ায় বাংলাদেশ মমতার সরকারের প্রতি কিছুটা ক্ষুব্ধ, তা সত্বেও সামগ্রিক বিচারে পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক বিজেপি’র পরিবর্তে মমতার তৃণমূলকেই ক্ষমতায় চেয়েছে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ। তাই মমতার বিজয়ে প্রকাশ্যে উল্লাস ও আনন্দ প্রকাশ করেছে এদেশের জনগণ।

মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের সাথে পশ্চিম বঙ্গ সরকার ও রাজ্যটির জনগণের সম্পর্ক সম্প্রীতি ও সম্পর্ক আরো দৃঢ় ও সংহত হবে, এমন প্রত্যাশা আমাদের। ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক কারণে পশ্চিম বঙ্গের জনগণ আমাদের একান্ত আপন জন। তাদের সুখ সমৃদ্ধি আমাদেরও স্পর্শ করে। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় ও মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ক্ষমতা গ্রহণের এই শুভক্ষণে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে জনপ্রিয় নেত্রী মমতা ও পশ্চিম বঙ্গের জনগণের প্রতি আমরা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি।

সম্পাদকীয় এর আরও খবর
ডাকসু: সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের মঞ্চ

ডাকসু: সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের মঞ্চ

সম্পদের রেকর্ড গড়ার বছর ২০২৬

সম্পদের রেকর্ড গড়ার বছর ২০২৬

বাস্তব, না কল্পনা বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাবে শ্রমিক!

বাস্তব, না কল্পনা বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাবে শ্রমিক!

তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হতাহতের ঘটনা

তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হতাহতের ঘটনা

সর্বশেষ সংবাদ
ডেঙ্গুতে সিলেটে ৩য় মৃত্যু : আক্রান্ত ৩০০ ছাড়ালো
ডেঙ্গুতে সিলেটে ৩য় মৃত্যু : আক্রান্ত ৩০০ ছাড়ালো
একদিনের ব্যবধানে সুর বদল : ইউপি ভোট নিয়ে ইসির পিছুটান
একদিনের ব্যবধানে সুর বদল : ইউপি ভোট নিয়ে ইসির পিছুটান
রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!
রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!
সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪
সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে হামে আরেক মৃত্যু
সিলেটে হামে আরেক মৃত্যু
সিলেটে রাষ্ট্রপতির ব্যস্ত সময় পার
সিলেটে রাষ্ট্রপতির ব্যস্ত সময় পার
গণতন্ত্র রক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই এখন বড় দায়িত্ব : নাগরিক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্র রক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই এখন বড় দায়িত্ব : নাগরিক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে মহানগর বিএনপির বিবৃতি
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে মহানগর বিএনপির বিবৃতি
তৃপ্ত নন আরিফ
তৃপ্ত নন আরিফ
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনাস্থলে আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনাস্থলে আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির !
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির !
প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top