সিলেটের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণে উদ্যোগ নেবে সিউক : কয়েস লোদী
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৭:৪১ অপরাহ্ন
অংশীজন সভার দ্বিতীয় দিনে আইএবির সঙ্গে মতবিনিময়

সিলেটকে আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি শহরের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিউকের সভাকক্ষে আয়োজিত চার দিনব্যাপী অংশীজন সভার দ্বিতীয় দিনে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
সভাপতির বক্তব্যে কয়েস লোদী বলেন, সিলেট আমাদের প্রাণের শহর। এ নগরীকে দৃষ্টিনন্দন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত নগর অবকাঠামোর মূল ভিত্তি হলো নিখুঁত প্রকৌশল ও পরিবেশবান্ধব স্থাপত্য নকশা। সিলেটের ঐতিহ্য রক্ষায় শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিউক কাজ করছে। তিনি বলেন, আইএবির স্থপতিদের সুচিন্তিত প্রস্তাবনাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিউকের মূল মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সিউকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদের সঞ্চালনায় সভায় আইএবির প্রতিনিধিরা সিলেটের ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা ও নান্দনিক নগর বিনির্মাণে বিভিন্ন গঠনমূলক সুপারিশ তুলে ধরেন। সিউক কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়।
সভায় অধ্যাপক মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন, সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত দাস, সহযোগী অধ্যাপক তানভীর হাসান, সহকারী অধ্যাপক গৌরপদ দে, প্রভাষক ফারহা মুন, লিডিং ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মহসিন আলী, সহকারী অধ্যাপক তানজিমা সিদ্দিকা চাঁদনী, আইএবি ঢাকার কোষাধ্যক্ষ চৌধুরী সাইদুজ্জামান, আইএবি সিলেটের সম্পাদক স্থপতি রাজন দাস, সিউকের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু নাছেরসহ আইএবির বিভিন্ন পর্যায়ের স্থপতি ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি






