‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে বাংলাদেশেও তেলের দাম পুনরায় সমন্বয়’
প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৬:৩৩ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে বাংলাদেশেও তেলের দাম পুনরায় সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেল আমদানিনির্ভর দেশ। দেশে জ্বালানি তেলের উৎপাদন নেই। বাংলাদেশ যেসব অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করে, সেখানে বর্তমানে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। ফলে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।
তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বীমা প্রিমিয়ামসহ আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথমে প্রায় ছয় মাস পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কোনো বিকল্প না থাকায় শেষ পর্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে সরকার আশাবাদী। সংকটের অবসান হলে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে খুব দ্রুত দেশের বাজারেও দাম সমন্বয়ের চেষ্টা করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেহেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিলটন এবং মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়।
মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম, জেলার উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকা মহানগরে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৯০০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য তৈরি হয়। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন লিটার বর্জ্য সরাসরি নদীতে গিয়ে পড়ে। এতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির বর্তমান মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।





