ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে কাজ করতে হবে : ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৮:৪২ অপরাহ্ন

ভারতের সেভেন সিস্টার্সের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ভারত সরকার আন্তরিক বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। সোমবার দুপুর ১২টায় সিলেট চেম্বার প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অনিরুদ্ধ দাস জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ২৮ অক্টোবর ভারতের মেঘালয়, আসাম ও ত্রিপুরা থেকে একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল সিলেটে আসবে। প্রতিনিধিদলটি সিলেটের আমদানি-রপ্তানিকারক ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সভায় অংশ নেবে। এ সময় তিনি সিলেট চেম্বারের প্রশাসককে সভায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার বলেন, সিলেটের ব্যবসায়ীদের মনোভাব অত্যন্ত ইতিবাচক। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণের কোনো ভেদাভেদ করেন না। বিষয়টি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও প্রশংসনীয়। সিলেট চেম্বারের প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরী বলেন, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারিত হলে দুই দেশের অর্থনীতিই লাভবান হবে। তিনি ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হওয়ার জন্য ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানিয়ে এজাজ আহমদ চৌধুরী বলেন, সরকারি নীতিগত কিছু সমস্যা দূর করা গেলে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি জানান, ভারতীয় আমদানি-রপ্তানি কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কারণে মেঘালয় ও আসামের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কটন ওয়েস্ট, তৈরি পোশাক, ফলমূল, কার্বনেটেড পানীয়, বেকারি পণ্য, কাঠের আসবাব ও প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এসব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
এছাড়া সিলেটের শেওলা স্থলবন্দরে কোয়ারেন্টাইন অফিস থাকলেও সুতারকান্দি স্থল শুল্ক স্টেশনে (এলসি স্টেশন) কোনো কোয়ারেন্টাইন অফিস নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ কারণে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতের গৌহাটি অফিস থেকে কোয়ারেন্টাইন সনদ সংগ্রহ করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ। তাই সুতারকান্দি স্থল শুল্ক স্টেশনে কোয়ারেন্টাইন অফিস স্থাপনের অনুরোধ জানান তিনি। একই সঙ্গে করিমগঞ্জের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর স্বার্থে করিমগঞ্জ স্থল শুল্ক স্টেশনের যোগাযোগ সড়ক সংস্কারেরও দাবি জানান সিলেট চেম্বারের প্রশাসক।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব ত্রিহান সিং, সিলেট চেম্বারের নির্বাহী সচিব মো. গোলাম আক্তার ফারুক, উপনির্বাহী সচিব সানু উদ্দিন রুবেল প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি






