প্রথম টি-টুয়েন্টি কাল :ব্যাটিং সহায়ক সিলেটে ডাচ চ্যালেঞ্জ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ আগস্ট ২০২৫, ৯:৪২:৫৯ অপরাহ্ন

স্পোর্টস রিপোর্টার : আসন্ন এশিয়া কাপকে সামনে রেখে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সিলেটের ব্যাটিং সহায়ক মাঠে কাল শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে লিটনদের ডাচ চ্যালেঞ্জ।
তার আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন টাইগার অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। সেখানে নিজেদের প্রস্তুতি ও লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন উইকেট কিপার এ ব্যাটার।
এশিয়া কাপে চোখ রেখে গত তিন সপ্তাহ ধরে নিবিড় অনুশীলন চলছে বাংলাদেশ দলের। শুরুতে ছিল শুধুই ফিটনেস নিয়ে কাজ। ট্রেনার ন্যাথান কাইলির তত্ত্বাবধানে সেখানে ঘাম ঝরিয়েছেন ক্রিকেটাররা। এরপর স্কিল ঝালাই ও ফিটনেস অনুশীলন চলেছে পাশাপাশি। ঢাকা থেকে সিলেটে এসেও ১০ দিন ধরে চলছে এই প্রস্তুতির পালা।
বৃষ্টির কারণে বৃহস্পতিবারের অনুশীলন সেশন অবশ্য বাতিল হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত সার্বিক প্রস্তুতিতে লিটন সন্তুষ্ট। নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের চাইতে তুলনামুলক দূর্বল দল। এশিয়া কাপের মতো আসরে খেলার আগে ডাচদের বিপক্ষে খেলে প্রস্তুতি টাইগারদের কতোটা কাজে দেবে তা নিয়ে সমালোচনা আছে। তবে ডাচদের সমীহ করছেন লিটন। উপমহাদেশের উইকেটে নেদারল্যান্ডস খুব একটা খেলে না। তবে ওরা যে ভালো উইকেটে খেলে অভ্যস্ত সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন উইকেট কিপার এ ব্যাটার।
লিটন বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ চ্যালেঞ্জিং। নেদারল্যান্ডসও খুবই ভালো দল। যদিও তারা এসব কন্ডিশনে খুব বেশি খেলে না। ওরা ভালো উইকেটে খেলে অভ্যস্ত। দুই দলের জন্যই চ্যালেঞ্জিং হবে।
সিলেটের উইকেট তুলনামুলক ব্যাটিং সহায়ক। এই উইকেটের সাথে আবুধাবির উইকেটের মিল আছে বলে মনে করেন লিটন। তিনি বলেন, এশিয়া কাপে আপনি যখন খেলবেন, তখন ডিফরেন্ট টিম থাকবে। সেই দলগুলোকে তো আপনি এখানে আনতে পারবেন না। অলমোস্ট সিমিলার কন্ডিশন থাকবে আমার মনে হয়। কারণ আমরা সবাই জানি, আবুধাবি ক্রিকেট ফ্রেন্ডলি উইকেট হয়। সিলেটেও অনেকটা ব্যাটিং সহায়ক উইকেট। সিমিলারিটি যদি আমি দেখতে যাই অবশ্যই থাকবে।
ওদিকে, বাংলাদেশকে বেশ সমীহ করছেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। টাইগারদের কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে মানলেও উপমহাদেশে অনেক ক্রিকেটারের খেলার থাকায় ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী ডাচ অধিনায়ক। সেই অনুযায়ী সিলেটে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা।
এডওয়ার্ডস বলেন, আমি মনে করি, বেশিরভাগ সময়ই যখন আমরা কোনো সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নিই, তখন প্রথম ম্যাচের আগে আপনি সাধারণত দুই বা তিনটি প্র্যাকটিসই পান। আমাদের অনেক খেলোয়াড়ই উপমহাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা রাখে। তাই আমরা অবশ্যই সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাব, আর যারা নতুন, তাদের প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে নিতে চেষ্টা করব। তবে হ্যাঁ, এটা অবশ্যই কঠিন-বাংলাদেশে বাংলাদেশকে হারানো সহজ না। অনেক দেশ এখানে এসে ভুগতে থাকে।
উপমহাদেশের উইকেটে স্পিনারা বেশি সুবিধা পেয়ে থাকে। মূলত টার্নিং উইকেট হওয়ায় লো-স্কোরিং ম্যাচ দেখা যায় বেশি। সিলেটে আসার পর থেকেই উইকেট অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানালেন এডওয়ার্ডস।
ডাচ অধিনায়ক বলেন, আমি আসলে এখনো উইকেট দেখিনি। আমি মনে করি, আমরা হয়তো আজকে দেখব। কিন্তু সব রিপোর্ট অনুযায়ী শুনেছি যে এটা সিলেটে ভালোভাবে ব্যবহার করা যাবে। তাই আমি মনে করি আমরা নিচু বাউন্স এবং টার্নিং উইকেটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।






