জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ

তীব্র গ্যাস সংকটে সিলেট


প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫১:৪১ অপরাহ্ন

# পাম্পে দীর্ঘ লাইন, বেড়েছে ভাড়া

# স্থবির পরিবহন ও শিল্প উৎপাদন

মামুন পারভেজ:: জাতীয় পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহে তীব্র সংকটের প্রভাব এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সিলেট বিভাগজুড়ে। নগরের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে শুক্রবার ভোর থেকেই শত শত সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস পাননি অধিকাংশ চালক। এদিকে, গ্যাস সংকটে হবিগঞ্জের ১৭১টি শিল্পকারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রপ্তানি খাতেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সরেজমিনে নগরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে ঘুরে জানা যায়, কম চাপের কারণে কোথাও ৮ লিটারের সিলিন্ডারে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ পয়েন্ট পর্যন্ত গ্যাস দেওয়া হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে গণপরিবহনে। রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে, পাশাপাশি বিভিন্ন রুটে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘোষণা দেওয়া হয়, জাতীয় গ্যাস সংকটের কারণে আগামী পাঁচ দিন প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট জেলার ৩৮টিসহ বিভাগের ৫৬টি সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে। এ ঘোষণার পর থেকেই শুক্রবার ভোর চারটা থেকে নগরের সোবহানীঘাট, উপশহর, আম্বরখানা, সুবিদবাজার, আখালিয়া মদিনা মার্কেট, দক্ষিণ সুরমা এবং সদর উপজেলার জাঙ্গাইল-ভূপাল এলাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। এসময় দুই-তিন কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে গাড়ির লম্বা সারি দেখা যায়।

শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে সোবহানীঘাট এলাকার একটি পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, শতাধিক সিএনজিচালিত অটোরিকশা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। অনেক চালক ভোর থেকে অপেক্ষা করলেও তখনও গ্যাস পাননি।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক আব্দুর রহিম বলেন, “ভোর থেকে লাইনে আছি। এতক্ষণ পরও গ্যাস পাইনি। সবাই বলছে সামনে লিটারপ্রতি গ্যাসের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। এভাবে চললে গাড়ি চালিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে।”

পাম্পে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে গ্যাস সংকটের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। কেউ বিদ্যুৎ সমস্যার কথা বলছেন, আবার কেউ জাতীয় পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করছেন। তবে সবাই স্বীকার করেছেন, গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেক পাম্পে ৮ লিটারের সিলিন্ডারে ১০০ পয়েন্টের বেশি গ্যাস দেওয়া হচ্ছে না। কোথাও আবার ৮০ বা ৯০ পয়েন্ট দিয়েই সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা নিয়ে সারাদিন যাত্রী পরিবহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

আম্বরখানা স্ট্যান্ডের কয়েকজন চালক জানান, তারা ভোর চারটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে সকাল ১০টার দিকে গ্যাস পেয়েছেন। কিন্তু কম চাপের কারণে মাত্র ৮০ থেকে ৯০ পয়েন্ট গ্যাস দেওয়া হয়েছে।

একজন চালক বলেন, “এই গ্যাস দিয়ে সারাদিন চলা যায় না। মালিককে জমা দিতে হবে, নিজের সংসারও চালাতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে যাত্রীর কাছ থেকে ১০ টাকা বেশি নিচ্ছি।”

আম্বরখানা থেকে এয়ারপোর্ট রোডে চলাচলকারী আরেক চালক জানান, তিনি সিএনজি না পেয়ে ছালিয়া-রঙ্গিটিলা এলাকার একটি পাম্প থেকে এলপি (অটোগ্যাস) সংগ্রহ করেছেন। সেখানে প্রতি লিটার এলপি গ্যাসের দাম ৮৪ টাকা, অথচ সিএনজি গ্যাসের প্রতি লিটার প্রায় ৪৩ টাকা। দ্বিগুণ ব্যয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো উপায় নেই বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, “সিএনজি না থাকায় বাধ্য হয়ে এলপি গ্যাস নিতে হয়েছে। খরচ অনেক বেড়ে গেছে। তাই ভাড়া কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।”

এদিকে, বাড়তি ভাড়া আদায়ের কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। আম্বরাখানায় পয়েন্টে একযাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সিএনজি গ্যাসের সংকটের কারণে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। কোনো ধরণের ঘোষণা ছাড়া ভাড়া বৃদ্ধি অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।

গ্যাস সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে নগরীর বিভিন্ন রুটে স্পষ্ট। আম্বরখানা থেকে বিমানবন্দর রুটে যেখানে নিয়মিত ভাড়া ছিল ২০ টাকা, সেখানে শুক্রবার নেওয়া হয়েছে ৩০ টাকা। একইভাবে আম্বরখানা থেকে টিলাগড় রুটে দীর্ঘদিনের ১৫ টাকার ভাড়া বাড়িয়ে ২০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। আম্বরখানা থেকে মদিনা মার্কেট নিয়মিত ভাড়া ১৫ টাকা হলেও  ভাড়া বাড়িয়ে আদায় করা হচ্ছে ২০ টাকা। বন্দর থেকে মেন্দিবাগ (রোজভিউ হোটেলের সামনে) পর্যন্ত নিয়মিত ১৫ টাকার পরিবর্তে ২০ টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

আম্বরখানা-সালুটিকর রুটের চালক আবদুস সাত্তার বলেন, “গ্যাসের যে অবস্থা, আজ আর লোকাল ট্রিপ দেব না। রিজার্ভ চালালে কিছুটা খরচ উঠবে।”

চালকদের দাবি, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ভাড়া বাড়াচ্ছেন না। প্রয়োজনীয় গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি কম চালাতে হচ্ছে এবং আয় কমে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নিতে হচ্ছে।

এর আগে বুধবার জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ অনাকাক্সিক্ষত মাত্রায় কমে গেছে। এর ফলে জালালাবাদ গ্যাসের বিতরণ এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে এবং গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহার ৫০ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়।

এরপর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভারশন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগ জানায়, জাতীয় গ্যাস সংকটের কারণে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৩ আগস্ট থেকে পরবর্তী পাঁচ দিন প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে।

এ সিদ্ধান্তে চালকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিভিন্ন পাম্পে তারা বিক্ষোভও করেন। ফিলিং স্টেশন মালিকদের অভিযোগ, কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সাধারণ মানুষ, চালক ও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্তের আগে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নগরীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিলিং স্টেশন সীমিত পরিসরে চালু রাখা হয়েছে।

এদিকে গ্যাস সংকটের প্রভাব শুধু পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ নেই। হবিগঞ্জের ১৭১টি শিল্পকারখানায় উৎপাদন কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রায় ২০ দিন ধরে গ্যাসের সরবরাহ কম থাকলেও গত বুধবার থেকে অনেক শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

হবিগঞ্জের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, গ্যাস না থাকায় প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার উৎপাদন ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে শতভাগ রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে। সময়মতো বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য পাঠানো সম্ভব না হলে রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের মহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশল) আবুল হোসেন জানান, তাদের পার্কে প্রায় ১২ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। দৈনিক ১৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হলেও কয়েক দিন ধরে মাত্র ৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল। বুধবার রাতের পর সেটিও বন্ধ হয়ে যায়।

বাদশা পাইওনিয়রের মহাব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন) মো. খায়রুল আলম বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৬ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। কয়েক দিন ধরে চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস পাওয়া গেলেও বর্তমানে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ। ফলে উৎপাদন ও শিপমেন্ট মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সায়হাম গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৭ হাজার শ্রমিক ও কর্মকর্তা রয়েছেন। গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কারখানার উৎপাদনও সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে প্রায় ৩৫ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যা থেকে সেখানে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় উৎপাদন থেমে গেছে। অন্যদিকে স্কয়ার ডেনিমের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মাজেদ বলেন, সময়মতো রপ্তানি পণ্য পাঠানো সম্ভব না হলে দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেডের শাহজীবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান মো. খালেদ গনি জানান, হবিগঞ্জে দৈনিক প্রায় ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হলেও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রে সরবরাহ বাড়ানোর কারণেই শিল্প খাতে গ্যাস কম দিতে হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রতিষ্ঠানটির উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল করিম চৌধুরী বলেন, জাতীয় পর্যায়ের গ্যাস সংকট জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকেই শুরু হয়েছে। স্থানীয় উৎপাদন কমে যাওয়া এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্রাধিকারভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহের কারণে শিল্প ও সিএনজি খাতে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন দৈনিক জালালাবাদকে বলেন, গতকাল সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কানভারশন মহানগরীর নেতৃবৃন্দদের নিয়ে আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। উনাদের বক্তব্য ছিল, জালালাবাদ গ্যাস থেকে ৫০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করা হবে। যার কারণে আগামী ৫ দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখবেন। সিলেট বিভাগের ৫৬টা ফিলিংস্টেশন রয়েছে যার মধ্যে সিলেট জেলায় আছে ৩৮টি। ফিলিং স্টেশনগুলো সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বন্ধ রাখবেন তারা। তাদের ভাষ্যমতে আগামী  ৫দিনের মধ্যে এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। যার মধ্যে আজ (শুক্রবার) একদিন চলে গেছে। আমরা তাদের বলেছি রেশনিং করে সিএনজি গ্যাস দেওয়া যায় কিনা। তারা জানান রেশনিং করে দিতে গেলে যানজট হবে বেশি। তাদের অতীত অভিজ্ঞতা ও বিষয়টি পর্যালোচনা করেই তারা বলছেন বলে জানান। আমরা পুরো বিষয়টি নজর রাখছি। ইতোমধ্যে সিলেটের পুলিশ সুপার সঙ্গে আলাপ করেছ্ িআরও যারা স্টেক হোল্ডার আছেন তদের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। বিষয়টি কিভাবে সহনীয় পর্যায়ে আনা যায়।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, সংকটকালীন সময়ে অনেকে চালকই সুযোগ নেয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থ নিচ্ছি।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, দেশের স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১৮ সালে দৈনিক প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হলেও ২০২৬ সালের মার্চে তা কমে প্রায় ১৭০ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন হ্রাস, এলএনজি আমদানির সীমাবদ্ধতা এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে অতিরিক্ত চাহিদার সম্মিলিত প্রভাবে সৃষ্ট এ সংকট দ্রুত নিরসন করা না গেলে পরিবহন, শিল্প, রপ্তানি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হতে পারে।

মামুন পারভেজ

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
সেপ্টেম্বরে সিলেটে ডেঙ্গুর দাপট

সেপ্টেম্বরে সিলেটে ডেঙ্গুর দাপট

সিলেট সীমান্তে বিজিবির ২৬ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ

সিলেট সীমান্তে বিজিবির ২৬ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ

এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩০

এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩০

এসআরবির অভিযানে চীনা রাইফেল উদ্ধার

এসআরবির অভিযানে চীনা রাইফেল উদ্ধার

সর্বশেষ সংবাদ
কবে ফিরবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ? আলো-আঁধারির খেলায় বিপর্যস্ত জনজীবন
কবে ফিরবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ? আলো-আঁধারির খেলায় বিপর্যস্ত জনজীবন
সেপ্টেম্বরে সিলেটে ডেঙ্গুর দাপট
সেপ্টেম্বরে সিলেটে ডেঙ্গুর দাপট
বিএনপি সরকার দলীয়করণের ভাইরাসে আক্রান্ত : মু. ফখরুল ইসলাম
বিএনপি সরকার দলীয়করণের ভাইরাসে আক্রান্ত : মু. ফখরুল ইসলাম
ঝেরঝেরী পাড়ার জলাবদ্ধতা-দুর্ভোগ পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক
ঝেরঝেরী পাড়ার জলাবদ্ধতা-দুর্ভোগ পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক
সিলেট সীমান্তে বিজিবির ২৬ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
সিলেট সীমান্তে বিজিবির ২৬ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩০
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩০
এসআরবির অভিযানে চীনা রাইফেল উদ্ধার
এসআরবির অভিযানে চীনা রাইফেল উদ্ধার
সিলেটে হামে সেপ্টেম্বরে ২৯ মৃত্যু
সিলেটে হামে সেপ্টেম্বরে ২৯ মৃত্যু
দুই প্রধানমন্ত্রী বসলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব: ভারতীয় হাইকমিশনার
দুই প্রধানমন্ত্রী বসলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব: ভারতীয় হাইকমিশনার
দুই রেস্টুরেন্টকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা
দুই রেস্টুরেন্টকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা
সুপার এল নিনিয়োর ভয়াবহ রূপ: বিশ্বজুড়ে চরম বিপর্যয় ও প্রাণহানির শঙ্কা
সুপার এল নিনিয়োর ভয়াবহ রূপ: বিশ্বজুড়ে চরম বিপর্যয় ও প্রাণহানির শঙ্কা
সন্ধ্যায় সিলেটে হালকা বৃষ্টি, তবুও কমছে না গরম
সন্ধ্যায় সিলেটে হালকা বৃষ্টি, তবুও কমছে না গরম
হবিগঞ্জে পরিবহন ধর্মঘট কাল
হবিগঞ্জে পরিবহন ধর্মঘট কাল
এক দফা দাবিতে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের অবস্থান
এক দফা দাবিতে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের অবস্থান
হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ 
হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ 
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top