সিলেটে হামে নতুন ভর্তি আরও ১৩১
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৫:১১ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুহীন কেটেছে গত ২৪ ঘণ্টা। তবে হাসপাতালে রোগী ভর্তির চাপ অব্যাহত রয়েছে। এসময়ে সন্দেহজনক হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে বিভাগে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪১ জনে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে সন্দেহজনক হাম ও উপসর্গ নিয়ে ১৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৭৭, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪১, জালালাবাদ রাগিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ এবং হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
নতুন ভর্তি রোগীসহ বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৪১ জন। এর মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৮০, শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৭৫, জালালাবাদ রাগিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৫, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪, বিশ^নাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৬৩, ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৪৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, চলতি বছর ১ জানুয়ারী থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মোট ১৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৬৬ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জন মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো মৃত্যু না হওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।
জেলা হিসেবে এ পর্যন্ত সিলেটে ৬৯, হবিগঞ্জে ২৬, মৌলভীবাজারে ১৫ এবং সুনামগঞ্জে ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৩ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৮৫, হবিগঞ্জে ১৫৩, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত না হলেও সন্দেহজনক হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির চাপ অব্যাহত রয়েছে।






