ওসমানীনগরের কাদিপুর গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলা
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ আগস্ট ২০২৪, ৭:৫৩:২৫ অপরাহ্ন

ওসমানীনগরের কাদিপুরে আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার আহমদের বাড়িতে হামলার দৃশ্য।
ওসমানীনগর প্রতিনিধি : ওসমানীনগর উপজেলার কাদিপুর গ্রামে আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার আহমদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় ছাত্রদল-যুবদল, ছাত্রশিবির ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। গত ৬ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে এ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা। হামলায় আহত হয়েছেন আনোয়ার আহমদের স্ত্রী। আনোয়ার আহমদ অবিভক্ত বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন থানায় ও সরকারি স্থাপনায় হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা চলমান রয়েছে।
আমাদের ওসমানীনগর প্রতিনিধি জানান, ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর উপজেলা জুড়ে সহিংসতায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা গা ঢাকা দিয়েছেন। যাদেরকে পাওয়া যাচ্ছে তারাই হামলার শিকার হচ্ছেন। ছাত্রদল-যুবদল, ছাত্রশিবির ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে মিছিল সহকারে উপজেলার আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করছে। গত ৬ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার কাদিপুর গ্রামে আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার আহমদের বাড়িতে জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশ করে হামলাকারীরা। তখন উশৃঙ্খল নেতাকর্মীরা বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং আনোয়ার আহমদের স্ত্রীকে মারধর করে। এতে আহত হন তিনি। এ নিয়ে গত ২ দিনে উপজেলায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীসহ তাদের পরিবারের প্রায় ২৫ জন সদস্য হামলায় আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আনোয়ার আহমদের স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিরোধিতার জের ধরে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা আনোয়ার আহমদকে না পেয়ে তাকে মারধর করেছে। এছাড়াও তারা বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এতে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসমানীনগর থানার এক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, উপজেলা জুড়ে সহিংসতা ব্যাপক আকারে ধারন করেছে। ৫ আগষ্টের পূর্বে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা হামলার ভয়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে থানায় জনবলের চরম সংকট রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।






