সাবাহ-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে নতুন সম্ভাবনা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫৫:০৪ অপরাহ্ন

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সাবাহ রাজ্য সরকার।
বৃহস্পতিবার সাবাহর মুখ্যমন্ত্রী সেরি পাংলিমা হাজি হাজিজি হাজি নূরের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মানজুরুল করিম খান চৌধুরীর সৌজন্য সাক্ষাতের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এ আগ্রহের কথা জানানো হয়। সাক্ষাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার সুযোগকে স্বাগত জানায় সাবাহ সরকার। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে জানানো হয়।
সাবাহ সরকারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও সাবাহর বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি উভয় পক্ষের জন্য অধিক সুফল বয়ে আনতে পারেÑএমন নতুন ক্ষেত্রও অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। সৌজন্য সাক্ষাতে সাবাহর প্রধানমন্ত্রী বিভাগের উপমন্ত্রী দাতুক লো সু ফুই এবং মুখ্যমন্ত্রীর সহকারী মন্ত্রী দাতুক সিজার ম্যান্ডেলা মালাকুন উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সেলর প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এবং কমার্শিয়াল ফার্স্ট সেক্রেটারি প্রণব কুমার ঘোষ।
সাবাহ মালয়েশিয়ার পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজ্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পর্যটন, কৃষি, মৎস্য, শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধ এ রাজ্যে বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র রয়েছে। বিশেষ করে পর্যটন খাতে দুই পক্ষের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। সাবাহর পর্যটনকেন্দ্রগুলো বাংলাদেশের পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশেও মালয়েশিয়ার পর্যটকদের আকৃষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকায় মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি রয়েছে। এ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে সাবাহ রাজ্য সরকার ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।






