চার স্তম্ভে অভিবাসন ও যোগাযোগ খাতে নজরদারি জোরদার করবে মালয়েশিয়া
প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৩:০৯ অপরাহ্ন

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি: অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগ খাতে আইন প্রয়োগ আরও শক্তিশালী করতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করবে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ ও মালয়েশিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া কমিশন (এমসিএমসি)। এ লক্ষ্যে দুই সংস্থা একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল জানান, এ সহযোগিতার আওতায় মানবসম্পদ সক্ষমতা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ তদন্ত এবং যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রথমে দুই সংস্থার মানবসম্পদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় জোরদার করা হবে। ইমিগ্রেশন বিভাগ ও এমসিএমসি উভয়েরই নিজস্ব গোয়েন্দা সক্ষমতা রয়েছে। এসব সক্ষমতা একত্রে কাজে লাগানো গেলে আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই সংস্থার দক্ষতা ও গোয়েন্দা তথ্য সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হলে আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা বাড়বে। কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা শনাক্ত হলে প্রয়োজন অনুযায়ী দুই সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত পরিচালনা করবে। একইভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হলে এমওইউর আওতায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা যাবে।
অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল, ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এবং এমসিএমসির চেয়ারম্যান তান শ্রী মোহাম্মদ সালিম ফাতেহ দিন উপস্থিত ছিলেন।
যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল বলেন, এমসিএমসি ও ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে এ কৌশলগত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, দেশের প্রবেশপথ এবং যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া খাতের নিয়ন্ত্রণে দুই সংস্থার এখতিয়ার ও দক্ষতা একে অপরের পরিপূরক।
তিনি বলেন, এ সহযোগিতার মাধ্যমে তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আরও শক্তিশালী হবে। ফলে আন্তঃসীমান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তি, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং অপরাধীদের কর্মকৌশল শনাক্ত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে দুই সংস্থার কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও এটি সহায়ক হবে।
দুই সংস্থার এ সমঝোতার ফলে বিশেষ করে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, অবৈধ অভিবাসন এবং যোগাযোগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও সমন্বিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।





