হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু
প্রকাশিত হয়েছে : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩২:৪১ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক হাজার ১১০। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০১ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
একই সময়ে ৮২ জনের নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ২১ হাজার ৬০২ জন। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১৩২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯২ হাজার ৮৬৩ জনে।
এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরো ৪ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪৯ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ১ হাজার ৯৭৮ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮১ হাজার ৫৯৮।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ৩৫৮ জন ভর্তি হয়েছে। এরপর ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে ৩২৮, খুলনা বিভাগে ২৫৬, বরিশাল বিভাগে ২৬০, রাজশাহী বিভাগে ২০৯, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ১৮০ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ১৭৬ জন ভর্তি হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৪, রংপুর বিভাগে ১০১ এবং সিলেট বিভাগে ১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে একজন ডিএনসিসি এলাকার, একজন ময়মনসিংহ বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে এবং দুজন রাজশাহী বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে মারা গেছে। মৃতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও দুইজন নারী। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ৮০৯ জন ডেঙ্গু রোগী। বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে মোট ৭৫ হাজার ৬৯৯ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১০ হাজার ৬২ জন এবং মারা গেছে ৩০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ১ হাজার ২৫৪ এবং নারী ৭২৪ জন। ফলে নতুন ভর্তি রোগীদের ৬৩ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৬ শতাংশ নারী।





